গাজলডোবায় ১২ জানুয়ারি বার্ষিক পাখি গণনা, দায়িত্বে নেফ; চলবে সচেতনতা কর্মসূচি
রাজগঞ্জ:আগামী ১২ জানুয়ারি গাজলডোবায় বার্ষিক পাখি গণনা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। বনদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই পাখি গণনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নেফ (NEF) নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে। পাখি গণনার পাশাপাশি এদিন সচেতনতা কর্মসূচিও আয়োজন করা হবে, যাতে পাখি শিকার ও পাখির ক্ষয়ক্ষতি রোধ করা যায়।
উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জলাশয়ের মতোই গাজলডোবাতেও ইতিমধ্যেই বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী পাখির আগমন শুরু হয়েছে। প্রতিবছর শীতকাল এলেই এখানে রুডি শেলডাক, রিভার ল্যাপউইং-সহ নানা প্রজাতির অতিথি পাখির দেখা মেলে। স্থানীয়দের মতে, শীত যত বাড়ে, পাখির সংখ্যাও তত বৃদ্ধি পায় এবং সেই সঙ্গে পর্যটকদের আনাগোনাও বেড়ে যায়।
বনদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই পরিযায়ী পাখিরা মূলত মঙ্গোলিয়া, তিব্বত, সাইবেরিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা-সহ বিভিন্ন দেশ থেকে গাজলডোবায় আসে। শীত শেষে তারা আবার নিজ নিজ দেশে ফিরে যায়।
বেলাকোবা রেঞ্জার রাজকুমার পাল জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও ১২ জানুয়ারি গাজলডোবায় পাখি গণনা করা হবে। নেফ নামক একটি এনজিও এই কাজের দায়িত্বে রয়েছে। তারাই গণনা করবে পাখি।পাশাপাশি পাখি সংরক্ষণ নিয়ে সচেতনতা কর্মসূচিও নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে পরিবেশপ্রেমী সুকুমার রায় বলেন, এ বছর শীত কিছুটা দেরিতে পড়ায় এখনও পরিযায়ী পাখির সংখ্যা খুব বেশি বাড়েনি। সাধারণত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে শীত বাড়লে প্রচুর পাখি আসে। সেই কারণেই জানুয়ারি মাসে পাখি গণনা করা হয়। এবারও সেই নিয়মেই গণনা হবে।