ভিডিওগ্রাফারদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া টাকা পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। এমনকী, লিখিতভাবে জেলাশাসক (ডিএম) এবং বিডিওকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে তাঁদের দাবি। কিন্তু তারপরেও বকেয়া টাকা হাতে আসেনি।
দুর্গাপুজোর আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এই পরিস্থিতিতে পাওনা টাকার জন্য তাঁদের উপর আর্থিক চাপ বাড়ছে বলে জানান ভিডিওগ্রাফাররা। তাঁদের কথায়, পাওনা টাকা চেয়ে বাড়িতে বারবার আসতে হচ্ছে। নিরুপায় হয়েই ফের বিডিও অফিসে এসেছেন তাঁরা। দ্রুত বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন অস্থায়ী কর্মীরা।
এ বিষয়ে রাজগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি নিতাই মণ্ডল বলেন, “বিষয়টি শুনেছি। আমি সবে সহ-সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছি। বিষয়টি বিডিওকে জানাব।”
অন্যদিকে, ভিডিওগ্রাফারদের একাংশের অভিযোগ, আগের সরকারের আমলে নির্বাচনের কাজ করেও তাঁরা প্রাপ্য টাকা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তবে বকেয়া টাকা না মেটানোর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এখনও জানা যায়নি।
এখন দেখার, দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া পারিশ্রমিকের অপেক্ষায় থাকা এই ভিডিওগ্রাফারদের সমস্যার সমাধান কবে হয় এবং কবে তাঁরা তাঁদের প্রাপ্য টাকা হাতে পান।