🔴 দুটি কেন্দ্রে বিধানসভা উপনির্বাচন, নন্দীগ্রামে মমতার প্রার্থী হওয়া নিয়ে জল্পনা
কলকাতা: রাজ্যে দুটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ৬ অক্টোবর ভোটগ্রহণ এবং ৯ অক্টোবর ভোটগণনা হবে। উপনির্বাচন ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। বিশেষ করে নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী হওয়া নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
ঋতব্রত শিবিরের তরফে জানানো হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে উপনির্বাচনে প্রার্থী হলে তাঁরা সেখানে প্রার্থী দেবেন না। বরং মমতাকে সমর্থন করা হবে। এই অবস্থানের কথা জানিয়েছেন ঋতব্রতপন্থী শিবিরের মদন মিত্র ও আখরুজ্জমান।
চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। পরে একটি কেন্দ্র ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে উপনির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হয়।
অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদের রেজিনগর ও নওদা কেন্দ্রেও উপনির্বাচন হতে চলেছে। নির্বাচনে দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির হুমায়ুন কবীর। পরে তিনি একটি কেন্দ্র ছেড়ে দেওয়ায় সেখানেও উপনির্বাচনের প্রয়োজন হয়।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর দুই কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ হবে। ভোটের ফল ঘোষণা হবে ৯ অক্টোবর।
এখনও নন্দীগ্রাম-সহ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলিতে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির তরফে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। এর মধ্যেই মদন মিত্রের বক্তব্যকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
মদন মিত্রের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে প্রার্থী হলে তাঁদের পক্ষ থেকে কোনও প্রার্থী দেওয়া হবে না। তাঁর বক্তব্য, এর ফলে বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট ভাগ হওয়ার কোনও সুযোগ থাকবে না।
তবে নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা মন্তব্য করা হয়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত নন্দীগ্রামে কে প্রার্থী হন, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।
Nandigram By Election: নন্দীগ্রামে কি প্রার্থী হচ্ছেন মমতা? ভোট না লড়ে সমর্থনের বার্তা ঋতব্রত শিবিরের