রাজগঞ্জ কলেজে স্যাক্ট-ওয়ান শিক্ষকদের রাজ্য সম্মেলন



 রাজগঞ্জ:রাজগঞ্জ কলেজে অনুষ্ঠিত হল অখিল ভারতীয় শৈক্ষিক মহাসংঘের অধীন স্যাক্ট-ওয়ান শিক্ষকদের রাজ্য সম্মেলন। রবিবারের এই সম্মেলনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের কলেজ থেকে স্যাক্ট-ওয়ান শিক্ষক ও প্রতিনিধিরা যোগ দেন।

সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এবিআরএসএম-এর রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ড. প্রশান্ত সরকার, সংগঠনের ড. অমর চন্দ্র রায়, জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক ড. শুকদেব রায়, রাজগঞ্জ কলেজের অধ্যক্ষ ড. হরপ্রসাদ মিশ্র, রাজগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিতাই মণ্ডল এবং সমাজসেবী দেবাশিস দে। 
আয়োজকদের দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন কলেজে কর্মরত স্যাক্ট-ওয়ান শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবিদাওয়া সরকারের সামনে তুলে ধরাই সম্মেলনের অন্যতম উদ্দেশ্য। পাশাপাশি দ্রুত সমস্যাগুলির সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়।

আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের চারশোরও বেশি কলেজে স্টেট এইডেড কলেজ টিচার বা স্যাক্ট শিক্ষকরা কর্মরত রয়েছেন। পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে যোগ্যতার ভিত্তিতে এই শিক্ষকদের দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। ইউজিসি নির্ধারিত যোগ্যতা থাকা শিক্ষকদের স্যাক্ট-ওয়ান শ্রেণিতে রাখা হয়। এই শ্রেণির শিক্ষকদের মধ্যে নেট, সেট এবং পিএইচডি যোগ্যতাধারী শিক্ষকও রয়েছেন বলে আয়োজকদের দাবি।

রাজগঞ্জ কলেজের অধ্যক্ষ ড. হরপ্রসাদ মিশ্র বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের কলেজ থেকে প্রতিনিধিরা সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। স্যাক্ট-ওয়ান শিক্ষকদের নিয়ে এই প্রথম রাজ্যস্তরের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

আয়োজকদের বক্তব্য, রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি নেতৃত্ব স্যাক্ট শিক্ষকদের চাকরির স্থায়ীকরণ, বেতন বৃদ্ধি এবং কাজের সময়সীমা নির্ধারণ-সহ একাধিক সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিল। বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহার ও প্রচারেও বিষয়গুলি গুরুত্ব পেয়েছিল বলে তাঁদের দাবি। রাজ্য বিধানসভার প্রথম অধিবেশনেও বিরোধী বিধায়কেরা বিষয়টি নিয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বলে জানান আয়োজকরা।

সম্মেলন শেষে স্যাক্ট-ওয়ান শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি দ্রুত বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়।