স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই ক্যানেলের ওই অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তখন বালির বস্তা ফেলে অস্থায়ীভাবে মেরামতের চেষ্টা করা হলেও স্থায়ী কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে বারবার গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে জানানো হলেও কার্যকর পদক্ষেপ করা হয়নি বলে দাবি তাঁদের।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিতে রাস্তার একাংশ এবং সংলগ্ন ছোট সেচ ক্যানেলটি নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। ফলে এলাকায় যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ তৈরি হয়েছে। বর্তমানে বারপাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রশাসনিক অচলাবস্থার কারণে সমস্যার সমাধানও হচ্ছে না বলে অভিযোগ।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত মেরামতির কাজ না হলে যে কোনও সময় বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে ঝুঁকি আরও বাড়ছে। বাসিন্দাদের দাবি, কেউ অসুস্থ হলে বর্তমানে জলপাইগুড়ি যাওয়ার জন্য প্রায় চার কিলোমিটার ঘুরপথ ব্যবহার করতে হচ্ছে, যা জরুরি পরিস্থিতিতে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
এ বিষয়ে সেচ দপ্তরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার কৃষ্ণেন্দু ভৌমিক বলেন, “বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”