আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পরও শেখ হাসিনার এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে এটি সাহসী রাজনৈতিক পদক্ষেপ, আবার অনেকে একে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের অংশ হিসেবেও দেখছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের জেরে প্রায় দুই দশকের শাসনের অবসান ঘটে এবং দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকেই তিনি ভারতে অবস্থান করছেন।
২০২৫ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। তবে শেখ হাসিনা ও তাঁর দল শুরু থেকেই এই মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে। একই সঙ্গে ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়াকেও ‘প্রহসন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।