মৃতদের নাম অর্জুন ওরাও (৬) এবং শ্যাম মাঝি (৭০)। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি ঝাড়খণ্ড থেকে দাদুর বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল অর্জুন। রবিবার বিকেলে মাঠে অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে খেলছিল সে। সেই সময় হঠাৎ পাশের একটি পুকুরে পড়ে যায় শিশুটি।
খবর পেয়ে বাড়ি থেকে ছুটে এসে নাতিকে উদ্ধারের জন্য পুকুরে ঝাঁপ দেন দাদু শ্যাম মাঝি। কিন্তু নাতিকে বাঁচাতে পারেননি। তিনিও জলের তলায় তলিয়ে যান। ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। শিশুটির দেহ উদ্ধার হলেও শ্যাম মাঝির খোঁজ মেলেনি। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মালবাজার থানার পুলিশ এবং এনডিআরএফের দল। দীর্ঘ তল্লাশির পর পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয় শ্যাম মাঝির দেহ।
ঘটনার খবর পেয়ে নিহতদের বাড়িতে যান এসএফআইয়ের রাজ্য কমিটির সদস্যা সঙ্গীতা রায়। তিনি বলেন, "এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। দাদু-নাতির মৃত্যুর ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।"
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য জলপাইগুড়ি জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মালবাজার থানার পুলিশ।