পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তারের সুনির্দিষ্ট কারণ প্রকাশ করা হয়নি। ফলে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জল্পনা তীব্র হয়েছে। জানা গিয়েছে, সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর থেকেই জনসমক্ষে খুব একটা দেখা যাচ্ছিল না অভিজিৎ দে ভৌমিককে। কিছুদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে এসে পেশাগত জীবনে মনোনিবেশ করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
সূত্রের খবর, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। গ্রেপ্তারি এড়াতে তিনি সম্প্রতি জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে আগাম জামিনের আবেদনও করেছিলেন। তবে নতুন মামলায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এক সময় কোচবিহার জেলা রাজনীতিতে প্রভাবশালী মুখ হিসেবে পরিচিত অভিজিৎ দে ভৌমিকের এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের অন্দরের সমীকরণ, গ্রেপ্তারের সময় এবং মামলার প্রকৃতি নিয়ে চলছে জোর জল্পনা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁকে আদালতে পেশ করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। মামলার তদন্তে নতুন কী তথ্য উঠে আসে এবং আদালতের পর্যবেক্ষণ কী হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।