বিজিতের এই সাফল্যে পরিবার, আত্মীয়স্বজন এবং এলাকাবাসীর মধ্যে খুশির আবহ তৈরি হয়েছে। তাঁর বাবা-মা জানান, ছেলে যখন NEET পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে, তখন তাঁরা এই পরীক্ষার গুরুত্ব ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে খুব বেশি অবগত ছিলেন না। সীমিত আয়ের সংসারেও ছেলের পড়াশোনার ক্ষেত্রে কোনও বাধা হতে দেননি তাঁরা।
পরিবারের সদস্যদের কথায়, দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং লক্ষ্যপূরণের অদম্য ইচ্ছাশক্তিই বিজিতকে এই সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। তাঁর এই কৃতিত্ব শুধু পরিবারের গর্ব নয়, বরং এলাকার বহু পড়ুয়ার কাছেও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।
বিজিত রায়ের এই সাফল্য আবারও প্রমাণ করল, প্রতিকূল পরিস্থিতি কখনও স্বপ্নপূরণের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। দৃঢ় সংকল্প, নিষ্ঠা এবং শিক্ষার প্রতি একাগ্রতা থাকলে সাফল্য অর্জন সম্ভব।