'ডিজাস্টার রিপোর্টিং অ্যান্ড ইনফর্মেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম' (ডিআরআইএমএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলার মধ্যে রয়েছে শিবসাগর, জোড়হাট, চরাইদেও, গোলাঘাট, নগাঁও, কামরূপ এবং শোণিতপুর। প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্ধারকাজের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের উদ্যোগও জোরদার করা হয়েছে।
সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, এখনও ৬২২টি গ্রামের বাসিন্দা বন্যার প্রভাবের মধ্যে রয়েছেন। প্রায় ৪৫,৩৪১.৯৮ হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন থাকায় কৃষিক্ষেত্রেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শিবসাগরের নাজিরা বিধানসভা কেন্দ্রের নেপালিকুটি এলাকা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলির অন্যতম। গত ১৯ জুলাই দিখৌ নদীর জল গ্রামে ঢুকে পড়লে বহু পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, বন্যার স্রোতে খাদ্যশস্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং বহু গবাদি পশু ভেসে গিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা কৃষ্ণ শর্মা বার্তাসংস্থা এএনআই-কে জানান, “এই বন্যায় আমাদের গ্রামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বহু বাড়ি ভেসে গিয়েছে, গবাদি পশু হারিয়ে গেছে। অসংখ্য পরিবার খাবার, আশ্রয় ও জীবিকার সংকটে পড়েছে।” তাঁর কথায়, জল কিছুটা নামলেও কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করেছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী Himanta Biswa Sarma। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও জোরদার করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।