শুধু পরিবারের সদস্য সংখ্যা নয়, বাড়ির ধরন, বাসস্থানের অবস্থা, যানবাহনের মালিকানা-সহ বিভিন্ন সামাজিক ও আর্থিক তথ্যও নথিভুক্ত করা হবে। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের মতে, ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহের ফলে জনগণনার কাজ আরও দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
জনগণনার এই তথ্য ভবিষ্যতে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প, উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা এবং নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে প্রশাসনের দাবি।