স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ চন্দ্রনাথ রথ বুদ্ধদেব বেরাকে নিয়ে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় চারটি বাইকে মোট আটজন দুষ্কৃতী তাঁদের গাড়ির পিছু নেয়। দোহাড়িয়া লেনের ভিতরে গাড়ি ঢোকার মুখে উল্টো দিক থেকে এসে পথ আটকে দেয় আততায়ীরা। প্রত্যেকের মাথায় হেলমেট থাকায় কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
এরপরই খুব কাছ থেকে গাড়িকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয়। স্থানীয়দের দাবি, পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে একের পর এক গুলি চালানো হয় চন্দ্রনাথ রথকে লক্ষ্য করে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, গুলিবিদ্ধ বুদ্ধদেব বেরার চিকিৎসা চলছে কলকাতার বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতালে।
রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিজেপি সূত্রের দাবি, ভবানীপুর উপনির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী রণকৌশল তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন চন্দ্রনাথ রথ। ফলে এই হামলার পিছনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
শুভেন্দু অধিকারীর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, “ভবানীপুরে দাদার প্রচারে চন্দ্রনাথ সক্রিয়ভাবে কাজ করছিল। বাড়ি ফেরার পথে অত্যন্ত কাছ থেকে ওকে গুলি করা হয়েছে।”
ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে আততায়ীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।