রাজগঞ্জের বর্তমান বিএলআরও গোপাল বিশ্বাস জানিয়েছেন, নিখোঁজ ফাইলগুলির অধিকাংশই ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে জমা পড়া। ওই সময় বিএলআরও পদে ছিলেন সুখেন রায়। দপ্তরে সংস্কারের কাজ চলার সময় বহু নথি অন্যত্র সরিয়ে রাখা হয়েছিল। বর্তমানে সেখান থেকেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের হদিশ মিলছে না বলে দাবি প্রশাসনের।
সিট সূত্রে জানা গিয়েছে, নিখোঁজ ফাইলগুলির বেশিরভাগই জমির মিউটেশন সংক্রান্ত। সরকারি দপ্তর থেকে এত বিপুল সংখ্যক নথি কীভাবে উধাও হল, তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। নথিগুলি ইচ্ছাকৃতভাবে সরিয়ে ফেলা হয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সূত্র মারফত আরও জানা গিয়েছে, রবিবার মাঝিয়ালির একটি অফিসে রাত আটটা পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়ে ৩৭৫টি ফাইল উদ্ধার করেছে সিট। এরপরই রাজগঞ্জ এলাকায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
এই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার ভিত্তিতে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চ ছয় সদস্যের সিট গঠনের নির্দেশ দেয়। এরপর তদন্ত শুরু হলেও বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে সেই প্রক্রিয়ায় কিছুটা গতি কমে যায় বলে জানা গিয়েছে। ভোটপর্ব শেষ হতেই ফের তদন্তে সক্রিয় হয়েছে সিট।
জলপাইগুড়ি জেলা পুলিস সুপার অমরনাথ কে বলেন, আদালতের নির্দেশেই সিট গঠন করা হয়েছে। সেই টিম নিখোঁজ ফাইলগুলির খোঁজে তদন্ত চালাচ্ছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের ভক্তিনগর থানা এলাকায় জমি সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তে প্রথম ফাইল গায়েবের বিষয়টি সামনে আসে। তারপরই আদালতের দ্বারস্থ হওয়া হয় এবং হাইকোর্ট সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দেয়।