ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ও পরিশ্রমী ছাত্র হিসেবে পরিচিত কুন্তল। নিয়মিত পড়াশোনা, আত্মবিশ্বাস এবং লক্ষ্যপূরণের ইচ্ছাশক্তিই তাকে এই সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিয়েছে বলে মত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। স্কুল কর্তৃপক্ষও কুন্তলের এই কৃতিত্বে গর্ব প্রকাশ করেছে।
মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কেও স্পষ্ট কুন্তল। তার লক্ষ্য, বড় হয়ে একজন দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার হওয়া। প্রযুক্তির মাধ্যমে সমাজের উন্নয়নে কাজ করার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছে সে। পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য, কুন্তলের স্বপ্নপূরণে সবসময় পাশে থাকবেন তাঁরা।
কুন্তলের এই অসাধারণ ফলাফলে আত্মীয়-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব থেকে শুরু করে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যেও উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। জেলার শিক্ষা মহলেও তার এই সাফল্য বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।