রাজগঞ্জে ভোটে গলদ: ‘পোস্টাল ভোট’ দেখিয়ে আটকাল শ্যামলীর ভোট, এক ঘণ্টা পর সমাধান

 রাজগঞ্জ: গণতন্ত্রের উৎসবে বড়সড় গলদের অভিযোগ উঠল রাজগঞ্জে। ভোট দিতে এসে প্রথমে নিজের ভোটই দিতে পারলেন না শ্যামলী সাহা পাল নামে এক মহিলা। ঘটনাটি রাজগঞ্জ ব্লকের শিকারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাবুপাড়া ১৮/৭০ নম্বর বুথে।
শ্যামলী সাহা পাল অভিযোগ করেন, ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে চাইলে প্রিসাইডিং অফিসাররা তাঁকে জানান, তাঁর ভোট ইতিমধ্যেই পড়ে গেছে। এমনকি রেকর্ডে তাঁর ভোট ‘পোস্টাল ব্যালট’ হিসেবে দেখানো হচ্ছে বলেও জানানো হয়। তবে শ্যামলীর স্পষ্ট দাবি—তিনি কোনওভাবেই পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেননি। তিনি সরকারি কোনও চাকরিও করেন না, তাই পোস্টাল ভোট দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। নিজের ভোট নিজেই দিতে চান বলেও জানান তিনি।
পরবর্তীতে প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়, বিডিও অফিসের স্তরেই কোনও ত্রুটির কারণে এই বিভ্রান্তি তৈরি হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি ঘিরে শুরু হয় জোর বিতর্ক।
এদিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে জেলা নেতৃত্ব ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, “একটি ভোট অত্যন্ত মূল্যবান। এমন বড়সড় ভুল কীভাবে বিডিও অফিস থেকে হতে পারে? যেখানে সিল মারা উচিত ছিল না, সেখানে সিল পড়ে যাওয়ায় সেটি পোস্টাল ভোট হিসেবে গণ্য হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে ওই মহিলা ভোট দেননি। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত।”
অবশেষে প্রায় এক ঘণ্টা পর সমস্যার সমাধান হয় এবং ভোট দিতে সক্ষম হন শ্যামলী সাহা পাল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বুথে মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী।