কলকাতা: West Bengal Assembly Election 2026-এর দ্বিতীয় দফাতেও অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে দিনভর তৎপর ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রথম দফার মতোই দ্বিতীয় দফাতেও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও খামতি রাখেনি নির্বাচন কমিশন।
ভোটের পরেও রাজ্যে মোতায়েন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। G P Singh জানিয়েছেন, ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যে রাখা হবে প্রায় ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF)। এর মধ্যে রয়েছে Central Reserve Police Force-এর ২০০ কোম্পানি, Border Security Force-এর ১৫০ কোম্পানি, Central Industrial Security Force-এর ৫০ কোম্পানি, Indo-Tibetan Border Police-এর ৫০ কোম্পানি এবং Sashastra Seema Bal-এর ৫০ কোম্পানি।
দু’দফার ভোটেই কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল অত্যন্ত সক্রিয়। নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য ছিল শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ, আর সেই কারণেই ভোটের আগেই রাজ্যে মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক বাহিনী। ভোটের সময় রাজ্যে উপস্থিত ছিল আড়াই লক্ষেরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী।
জেলায় জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজ তদারকি করতে সরেজমিনে হাজির হন শীর্ষ আধিকারিকরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন G P Singh। সেখানে উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা আইপিএস ও স্পেশাল পুলিশ অবজার্ভার Ajay Pal Sharma-র সঙ্গে বৈঠকও করেন তিনি।
অন্যদিকে উত্তর ২৪ পরগনার নোয়াপাড়ায় গিয়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন Praveen Kumar। তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন ও বন্দোবস্ত খতিয়ে দেখেন।
ভোটদানের হারেও নজরকাড়া উত্থান দেখা গিয়েছে। দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট পড়েছে, যা আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান। ২০২১ সালের তুলনায় প্রথম দফায় ভোটারের সংখ্যা কম থাকলেও ভোটদানের হার বেড়েছে। দ্বিতীয় দফাতেও সেই প্রবণতা বজায় রয়েছে। সামগ্রিকভাবে দু’দফা মিলিয়ে আগের নির্বাচনের তুলনায় ভোটের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।