পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজগঞ্জ থানার অধীনে শিকারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সরকারপাড়া, বেলাকোবা ও সন্ন্যাসীকাট গ্রাম পঞ্চায়েতের জামিদারাপাড়া (বুথ নং ১৮/১২৩) এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে রুট মার্চ করা হয়। পাশাপাশি বুথ নং ১৮/৬২ ও ১৮/৫৭ এলাকার কয়েকজন সংবেদনশীল ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশকর্মীরা এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় খতিয়ে দেখেন।
ময়নাগুড়ি থানার অধীন ভোটেপট্টি আউটপোস্ট এলাকায়ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজারস ও রুট মার্চ করা হয়। বানারহাট থানার বিন্নাগুড়ি চৌপাট্টি এলাকায়ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে রুট মার্চ করে পুলিশ।
এছাড়াও মালবাজার থানার ডামডিম গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় রুট মার্চ ও কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজারস পরিচালিত হয়। নাগরাকাটা থানার এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে রুট মার্চ ও এরিয়া ডমিনেশন চালানো হয়। মেটেলি থানার অধীনে মেটেলি বাটাবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাতেও একই ধরনের কর্মসূচি পালন করা হয়।
পুলিশের দাবি, এই ধরনের উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে আস্থা বাড়বে এবং নির্বাচনকে ঘিরে যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন প্রস্তুত থাকবে। পাশাপাশি কোনও সন্দেহজনক কার্যকলাপ নজরে এলে দ্রুত পুলিশকে জানানোর জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানিয়েছে প্রশাসন।