গ্রেফতারি পরোয়ানা, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ—তবু অধরা ‘দাবাং’ বিডিও প্রশান্ত বর্মণ

উত্তর বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক:সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ অমান্য করেও এখনও অধরা রাজগঞ্জের ‘দাবাং’ বিডিও প্রশান্ত বর্মণ। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেও তিনি আত্মসমর্পণ না করায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনি চাপ ক্রমেই বাড়ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার কড়া পুলিশি পদক্ষেপের পথে হাঁটতে পারে প্রশাসন—এমনই জল্পনা প্রশাসনিক মহলে।







সূত্রের খবর, গত ১৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি রাজেশ বিন্দল ও বিচারপতি বিজয় বিষ্ণোইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ ২৩ জানুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয় প্রশান্ত বর্মণকে। কিন্তু সেই নির্দেশ মানা হয়নি। শুক্রবার পর্যন্ত আদালতে হাজির হননি অভিযুক্ত বিডিও।
এর আগেই কলকাতা হাইকোর্ট প্রশান্ত বর্মণের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির না হওয়ায় তাঁকে ‘ফেরার’ ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি বিধাননগর আদালত থেকে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে।







উল্লেখ্য, সল্টলেকের দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা খুনের মামলায় অভিযুক্ত প্রশান্ত বর্মণ। গত ২৯ অক্টোবর নিউটাউনের যাত্রাগাছির একটি খাল থেকে স্বপনের দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় একাধিক অভিযুক্ত গ্রেফতার হলেও এখনও পলাতক রয়েছেন প্রশান্ত বর্মণ। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, খুনের মূলচক্রী তিনিই।
এদিকে মামলার প্রেক্ষিতে প্রশাসনিক স্তরেও রদবদল হয়েছে। রাজগঞ্জ ব্লকে নতুন বিডিও হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জয়েন্ট বিডিও সৌরভকান্তি মণ্ডল।
সব মিলিয়ে শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অমান্য করায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনি জট আরও ঘনীভূত হচ্ছে। এখন প্রশ্ন, কবে এবং কীভাবে পুলিশের জালে ধরা পড়বেন অভিযুক্ত বিডিও—সেদিকেই তাকিয়ে প্রশাসনিক মহল থেকে সাধারণ মানুষ।