কাউন্সিলর বিমল সাহার দাবি, তিনি ২০০০ সাল থেকেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসছেন। ২০১৫ ও ২০২২—এই দুই বার তিনি কামারহাটির ২৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর বাবা দীর্ঘদিন সরকারি কর্মচারী ছিলেন বলেও জানান তিনি। তা সত্ত্বেও নিজের ও পরিবারের কারও নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় না থাকায় উদ্বেগ বাড়ে।
বিমল সাহার অভিযোগ, ম্যাপিংয়ে নাম না থাকায় তাঁকে নির্বাচন দফতরের পক্ষ থেকে SIR শুনানির জন্য একটি হিয়ারিং নোটিস ধরিয়ে দেওয়া হয়। সেই নোটিস পেয়ে তিনি নতুন করে দুশ্চিন্তায় পড়েন। তাঁর কথায়,
“বারবার কেন নির্বাচন দফতর এমন খামখেয়ালি করছে? যতদূর যেতে হয়, আমি যাব।”
নির্বাচন দফতরের নির্দেশ মেনে নির্দিষ্ট সময়ে লাইনে দাঁড়িয়ে তিনি শুনানির সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
এই প্রসঙ্গে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বিমল সাহা বলেন,
“দু’বারের কাউন্সিলর হওয়ার পরেও যদি আমার এই অবস্থা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হচ্ছে তা সহজেই বোঝা যায়। সমস্ত নথি থাকা সত্ত্বেও যাদের ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম নেই বা বাদ দেওয়া হচ্ছে, তারা সকলেই ভুগছেন। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব।”
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।