স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার ভোর আনুমানিক আড়াইটে নাগাদ হঠাৎ হাতির চিৎকার ও বনদপ্তরের সাইরেনের শব্দে ঘুম ভাঙে এলাকার বাসিন্দাদের। বাইরে বেরিয়ে তাঁরা দেখতে পান, দুটি হাতি এলাকায় ছোটাছুটি করছে এবং আলু খেতে ঢুকে পড়েছে।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বনদপ্তরের কর্মীরা। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর হাতি দু’টিকে এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক নিকুঞ্জ দাস জানান, “ভোরে দুটো হাতি এসে আমার আলু খেতে ঢুকে পড়ে। প্রায় আধা বিঘা জমির আলু সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। ঋণ নিয়ে চাষ করেছি। এভাবে যদি বারবার ফসল নষ্ট হয়, তাহলে আমরা মাঠেই মারা যাব। সরকারিভাবে ক্ষতিপূরণ পেলে খুব উপকার হতো।”
উল্লেখ্য, চলতি বছরে শিকারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মুরগিভিটা গ্রামে ব্যাপক হারে আলু ও ভুট্টা চাষ হয়েছে। ফলে ফের হাতির হানার আশঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা। তাঁদের দাবি, এই এলাকায় নিয়মিত বনকর্মীদের নজরদারি বাড়ানো হোক।
এ বিষয়ে বেলাকোবা রেঞ্জের রেঞ্জ অফিসার রাজকুমার পাল জানান, “ভোরেই হাতি দু’টিকে নিরাপদে বোদাগঞ্জের গৌরিকোন জঙ্গলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।”