অভিযোগ, ঘটনার পর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে দায় ঠেলার চেষ্টা চলে। সুপারভাইজারের তরফে উল্টে দোষ চাপানো হয় কেন্দ্রের কর্মীদের উপর। অপমান ও ভয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন দুই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী। চারদিকে নিন্দার ঝড়—শাসক থেকে বিরোধী সকলেই দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, শিশুদের পুষ্টির জন্য বরাদ্দ খাদ্য যদি নিরাপদ না থাকে, তবে প্রশাসনের ভূমিকা কোথায়? ডিম চুরি শুধু আর্থিক ক্ষতি নয়—এটি শিশুদের অধিকার ও সমাজের নৈতিকতার উপর সরাসরি আঘাত।
ঘটনায় প্রশাসনিক তদন্ত ও কঠোর পদক্ষেপের দাবি জোরালো হয়েছে। এখন দেখার, দোষীদের বিরুদ্ধে কত দ্রুত ও কতটা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়—সেদিকেই তাকিয়ে গোটা এলাকা।