সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রামদেব জানান, ৬ ডিসেম্বর দিনটি ভারতের থেকে ‘গোলামি দূর করার বিশেষ দিন’। দেশের মানুষ সব দেখছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, “কোনও বিদেশি হামলাকারীকে মহিমান্বিত করার চেষ্টা দেশবাসী মেনে নেবে না।”
আরও কড়া সুরে রামদেব বলেন,
“এ ভারত বাবরের দেশ নয়। এটা মহারাণা প্রতাপ, ছত্রপতি শিবাজি, চন্দ্রশেখর আজাদ, রাজগুরু, ভগত সিং— সনাতন ও শিবের দেশ। বাবর ছিলেন বিদেশি আক্রমণকারী। তাঁকে মহিমান্বিত করা মানে দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।”
তবে রামদেব দাবি করেন, তাঁর মন্তব্য কোনও ধর্ম বা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নয়। তাঁর কথায়,
“আমরা ইসলাম বা মুসলমানদের বিরুদ্ধে নই। বাবর নিজেও প্রকৃত অর্থে মুসলমান বা ইসলামের অনুসারী ছিলেন না। তিনি ছিলেন কেবল একজন নিষ্ঠুর আক্রমণকারী।”
বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হুমায়ুন কবীরের শিলান্যাস
উল্লেখ্য, ৬ ডিসেম্বর সংহতি দিবসের দিন মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করেন বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। অনুষ্ঠান ঘিরে শোরগোল ছড়িয়েছে গোটা দেশে।
সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হুমায়ুন বলেন—
“আমি অসাংবিধানিক কিছু করছি না। মন্দির, গির্জা তৈরি হতে পারে, তাহলে মসজিদ কেন তৈরি করা যাবে না?”
তিনি আরও দাবি করেন,
“সুপ্রিম কোর্টেও বলা আছে— বাবরি ভাঙা হয়েছিল। হিন্দুদের অনুভূতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সেখানে মন্দির তৈরি হচ্ছে। তাহলে বাবরি মসজিদ তৈরির অধিকার আমাদেরও রয়েছে।”