সূত্রের খবর, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ না করায় প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, প্রথমে বারাসত আদালত থেকে আগাম জামিন পেলেও, গত সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে বড় ধাক্কা খান অভিযুক্ত বিডিও। উচ্চ আদালত তাঁর আগাম জামিন খারিজ করার পাশাপাশি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়।
হাইকোর্টের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বুধবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন প্রশান্ত বর্মন। তবে শীর্ষ আদালতে মামলাটি এখনও তালিকাভুক্ত না হওয়ায় কোনো তাৎক্ষণিক রক্ষাকবচ মেলেনি। ফলে একদিকে সুপ্রিম কোর্টের স্বস্তি না পাওয়া, অন্যদিকে হাইকোর্টের সময়সীমা অতিক্রান্ত—এই জোড়া চাপে কার্যত কোণঠাসা অভিযুক্ত।
এই পরিস্থিতিতে আর সময় নষ্ট না করে তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে তদন্তকারীরা।
প্রসঙ্গত, গত অক্টোবরের শেষ দিকে নিউটাউনের যাত্রাগাছি এলাকা থেকে অপহৃত স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যার দেহ উদ্ধার হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে মূল মাথা ছিলেন রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মন। ইতিমধ্যেই এই মামলায় তাঁর ঘনিষ্ঠ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবার মূল অভিযুক্তকে হেফাজতে নিতে মরিয়া তদন্তকারী দল।