স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোর চারটেয় কন্যা সন্তানের জন্ম দেন খেলেনা খাতুন। খবর ছড়াতেই শ্বশুরবাড়ি থেকে বাপের বাড়ি—সবাই মেতে ওঠেন আনন্দে। হাসপাতাল থেকে মা ও নবজাতককে ছুটি দেওয়ার পর বিশেষ ভাবে সাজানো হয় একটি গাড়ি। রঙিন ফিতা, ফুল ও বেলুন দিয়ে সাজানো সেই গাড়িতেই নবজাতককে বাড়ি নিয়ে যান পরিবারের সদস্যরা। দৃশ্যটি দেখে হাসপাতালে উপস্থিত বহু মানুষই প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন।
নবজাতকের বাবা মকসুদ আলম জানান,
“আমার প্রথম সন্তান কন্যা। আমি ভীষণ আনন্দিত। তাই গাড়ি সাজিয়ে আমার মেয়ে ও তার মাকে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছি। আমাদের কাছে কন্যা সন্তানই আসল আশীর্বাদ।”
সমাজে যেখানে এখনও কন্যা জন্ম নিয়ে নানা ভ্রান্ত ধারণা রয়ে গেছে, সেখানে রসাখোয়ার এই পরিবারের উদ্যোগ সমাজকে দিল এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা— কন্যা সন্তান বোঝা নয়, বরং আশীর্বাদ।