সাংসদ জানান, করোনেশন সেতুর পুরনো কাঠামো এখন অতি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সে কারণে বিকল্প সেতুর পরিকল্পনা বহুদিন ধরেই চলছিল। একাধিক প্রযুক্তিগত সমীক্ষা শেষ হওয়ার পরে এনএইচএআই এখন টেন্ডার পর্যায়ে যেতে প্রস্তুত।
রাজু বিস্তার দাবি, “ডিসেম্বরের মধ্যেই টেন্ডার ভাসানো হবে। সেতুর কাজ দ্রুত শুরু করতে কেন্দ্রীয় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”
উল্লেখ্য, করোনেশন সেতু উত্তরবঙ্গ, সিকিম ও উত্তর–পূর্ব ভারতের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান লাইফলাইন। বিকল্প সেতুর কাজ শুরু হলে পরিবহণ ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে স্বস্তি পাবে বলে মনে করছে স্থানীয়দের একাংশ।
এলাকায় ইতিমধ্যেই আশার সুর—বহু বছরের দাবি বাস্তবায়নের পথে।