এই প্রসঙ্গে রাজগঞ্জের বিধায়ক খগেশ্বর রায় জানান, রাজগঞ্জ ব্লকে দমকল কেন্দ্র অত্যন্ত জরুরি ছিল। বিষয়টি আমি বারবার বিধানসভায় তুলেছিলাম। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন জানাই। অবশেষে বৃহস্পতিবার সরকারিভাবে জানানো হয়েছে দমকল কেন্দ্র অনুমোদন পেয়েছে। এতে এলাকাবাসীর বড় সুবিধা হবে।
সুখনী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পরিমল রায় বলেন, বৈঠকে আমি দমকল কেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছিলাম। আবেদন মঞ্জুর হওয়ায় আমি অত্যন্ত খুশি। এলাকায় অসুবিধা অনেকটাই কমবে।
দমকল কেন্দ্রের অনুমোদনে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাজগঞ্জ তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, এটি হলে রাজগঞ্জের বিস্তীর্ণ অঞ্চলই উপকৃত হবে। মুখ্যমন্ত্রী ও স্থানীয় বিধায়কের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।একই মত পুনর্ব্যক্ত করেছেন রাজগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রূপালী দে সরকার।।
রাজগঞ্জ ব্লকের বিডিও প্রশান্ত বর্মন বলেন, ব্লকে দায়িত্ব নেওয়ার পরে বিধায়ক, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে জমি চিহ্নিত করে মহকুমাশাসক ও জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল। অনুমোদন পাওয়া আমাদের সবারই সাফল্য। এখন জলপাইগুড়ি থেকে দমকল আসতে যেখানে আধঘণ্টা লাগে, নতুন কেন্দ্র থেকে মাত্র দশ মিনিটেই পৌঁছনো যাবে।
বেলাকোবা ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক পার্থপ্রতিম পাল-ও এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।
অনুমোদিত জমির বিবরন মৌজা: সুকানি
জে.এল. নম্বর: ২৮
দাগ নম্বর (এলআর): ৮৬২, ৮৪০, ৮৬৩