বন্যায় নদীর উপর সেতু ও সংযোগকারী রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল এই রুটের সাফারি। এর আগে চিলাপাতা, কোদালবস্তি ও শালকুমার রুটে কার সাফারি শুরু হলেও মাদারিহাট থেকে যাত্রা সম্ভব হচ্ছিল না, কারণ ওই পথে নদীর সেতুটি ভেসে গিয়েছিল।
জলদাপাড়ার অন্যতম রোমাঞ্চকর রুট মাদারিহাট ও তিতি। বন্যার পর মূল পথে ডলোমাইট মিশ্রিত পলি জমে থাকায় নিরাপত্তার স্বার্থে এতদিন পর্যটকদের সাফারি বন্ধ রাখতে হয়েছিল। ডিএফও জানান, রাস্তা ও সেতুর মেরামতির কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। সোমবার থেকে দুপুর দু’টোর সাফারি চালু করা হবে। পর্যটকদের তিনি অনুরোধ করেছেন সেই অনুযায়ী ভ্রমণ পরিকল্পনা করতে।