সৈকতবাবুর বক্তব্যে স্পষ্ট, গাঁজা, ব্রাউন সুগার থেকে শুরু করে ঘুমের ট্যাবলেট—নেশার এই ছড়াছড়ি এখন এক গভীর সামাজিক সংকটে পরিণত হয়েছে। তাই প্রশাসন, সমাজ ও সাধারণ মানুষকে একজোট করে নেশার বিস্তার রুখতে চান তিনি।
তিনি জানান, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মাদকাসক্তদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করা হবে।
সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ, জনগণের সহযোগিতা চেয়ে তিনি নিজের ফোন নম্বর (৮৩৮৯৮৪৫২৮৬) উন্মুক্ত রাখেন, যাতে যে কেউ গোপনীয়ভাবে মাদক সংক্রান্ত তথ্য জানাতে পারেন।
এদিন বৈঠকে উপস্থিত কাউন্সিলর ও স্থানীয় বাসিন্দারা একবাক্যে শপথ নেন —
👉 “আমরা সবাই মিলে গড়ব নেশামুক্ত জলপাইগুড়ি।”