একই রকম ঘটনা দেখা গেল রাজগঞ্জের শিকারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনস্থ কেবল পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বাগডোগরা মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্রে l
সরকার পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মালতি রায় বলেন, ছাত্রছাত্রীদের হাতে বই তুলে দেওয়া হচ্ছে যাতে ছাত্র ছাত্রীরা বাড়িতে পড়াশোনা করতে পারেন। কিন্তু ছাত্র-ছাত্রীদের বিদ্যালয় আসা বারণ এই কথা শোনার পর তিনি আর কথা বলতে চাননি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সন্দীপ চাকির কথায় একটা জিনিস পরিষ্কার হয়ে ওঠে তারা এর আগে এভাবেই ছাত্র-ছাত্রীদের মিড ডে মিলের খাদ্য সামগ্রী দিয়ে আসছেন ! সন্দীপবাবু বলেন, অভিভাবকদের জানুয়ারি মাসের ১ তারিখে মিটিংয়ে বলে দেওয়া হয়েছে ছাত্র-ছাত্রীদের বিদ্যালয়ে না পাঠাতে। তিনি বলেন, রাজ্যে করোনা বিধিনিষেধ লাগু হওয়ার আগেই তারা আন্দাজ করে ১ জানুয়ারির তারিখের মিটিং এ এই কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু প্রশ্ন কেন ১ তারিখের মিটিংয়েই শুধু জানাবেন তারা ? করোনা পরিস্থিতির জন্য ২০২০ সালের ২৪ শে মার্চ থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের বিদ্যালয় আসা যেখানে নিষেধ। কয়েক মাস আগে নবম, দশম, একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের বিদ্যালয় পঠন পাঠনের অনুমোদন রাজ্য সরকার দিলেও প্রথম শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের বিদ্যালয়ে আসতে বারণ করা হয়েছিল। এই কথাটা কি সন্দীপ বাবুরা জানতেন না ? সন্দ্বীপ বাবুরা মিডিয়াকে সামনে দেখেই হাত জোড় করে সাধারন মানুষদের বলতে থাকেন "আমরা কিন্তু মিড ডে মিলের সামগ্রী বিলি এবং পাঠ্যপুস্তক দেওয়া বন্ধ করে দেব" ? তার এই কথাতেও প্রশ্ন ওঠে তাহলে কয়েক ঘন্টা ধরে এই প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছিলেন কেন ? মাক্স হীন ছাত্র-ছাত্রীরা বিদ্যালয় আসছে দেখার পরেও মিড ডে মিলের সামগ্রী বিলি এবং পাঠ্যপুস্তক বিলি প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন কেন ? মিডিয়াকে দেখেই কি বিদ্যালয়ে আসা গুটিকয়েক অভিভাবক দের উপর দায় চাপাচ্ছেন তিনি ?
এরিয়া ইন্সপেক্টর রাজীব চক্রবর্তী জানান যদি এরকম ঘটনা হয়ে থাকে তবে খুব খারাপ করেছে কেন কি ছাত্র-ছাত্রীদের আসার কোন অনুমতি নেই অভিভাবকরা আসতে পারে l আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখছি I